ওষুধ স্ক্যান করুন, bKash বা ক্যাশ নিন, রসিদ প্রিন্ট — ব্যাস। আগে যে বিলে ২–৪ মিনিট যেত, এখন লাগে এক মিনিটেরও কম। আর কারেন্ট বা ইন্টারনেট চলে গেলেও বিক্রি চলে ঠিক আগের মতোই।
কাউন্টারে, গোডাউনে বা বাসায় — যেখানেই থাকুন, একই সিস্টেম।

নতুন একটা বিল হচ্ছে
আসল কাউন্টার, আসল ভিড় — বিলিং পিছিয়ে থাকে না।কোনো কঠিন কথা নয় — রোজকার যেসব ঝামেলা এটি আপনার ঘাড় থেকে নামিয়ে দেয়।
লোডশেডিং হোক বা ইন্টারনেট বন্ধ, কিচ্ছু যায় আসে না। ৮+ ঘণ্টা পুরো অফলাইনে বিল চলে, লাইন ফিরলেই সব নিজে থেকে আপডেট।
কাস্টমার যেভাবে দিতে চান, সেভাবেই নিন। প্রতিটা টাকা বিলের সঙ্গে রেকর্ড হয়, তাই রাতে ক্যাশ মেলাতে আর মাথা ঘামাতে হয় না।
স্ক্যানার ধরলেই ঠিক ওষুধ, ঠিক দাম, ঠিক ব্যাচ বিলে উঠে যায়। টাইপ করার দরকার নেই, ভুলেরও সুযোগ নেই।
পরিষ্কার প্রিন্ট করা রসিদ আর SMS — কাস্টমার নিজেই পড়ে বুঝে নেন।
একজন টাকা আনতে গেছেন? তাঁর বিলটা হোল্ড করে রাখুন, পরের জনকে সামলান, ফিরলে এক ট্যাপে বিলটা ফিরিয়ে আনুন।
যে যার PIN দিয়ে কাজ করেন। বড় ডিসকাউন্ট দিতে লাগে ম্যানেজারের অনুমতি — কাউন্টার চলে সততার সঙ্গে।
ফার্মেসি মালিকরা এটা নিয়ে আমাদের যা জিজ্ঞেস করেন।
সবকিছু একসঙ্গে কাজ করে — এক সিস্টেম, এক লগইন, পুরো ফার্মেসি এক নজরে।
পুরো সিস্টেমটা ঘুরে দেখুন আপনার নিজের ফোন বা ট্যাবলেটেই — ৩০ মিনিটেরও কম সময়ে। কোনো শর্ত নেই, কঠিন কথাও নেই।