বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ফার্মেসি সফটওয়্যার

পুরো ফার্মেসি চলবে আপনার হাতের ফোনেই

বিক্রি করুন, স্টক দেখুন, লাভ বুঝে নিন — মোবাইল, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার থেকে। কারেন্ট চলে যাক বা ইন্টারনেট — PharmaZ247 চলতেই থাকে, কিচ্ছু আটকায় না।

কম্পিউটার জানার দরকার নেই · বাংলা ও ইংরেজি · bKash, Nagad ও ক্যাশ · অফলাইনেও চলে

৪৫ সেকেন্ডএকটা বিল করতে; আগে লাগত ২–৪ মিনিট
৮+ ঘণ্টাইন্টারনেট একদম না থাকলেও বিক্রি চলে
২%-এর নিচেমেয়াদে ক্ষতি; বেশিরভাগ দোকানে যা ১৫% পর্যন্ত
৫+ দোকানএক মালিক সামলান একটাই ফোন থেকে
চেনা লাগছে?

রোজকার যেসব ঝামেলা PharmaZ247 চুটকিতে মিটিয়ে দেয়

টেকনিক্যাল প্যাঁচাল নয় — যেসব ঝামেলা চুপচাপ আপনার টাকা আর ঘুম, দুটোই কাড়ে।

“এই পাতার তো মেয়াদই শেষ গত মাসে…”

জানতে জানতেই দেরি, লোকসানটা আপনার ঘাড়ে। PharmaZ247 ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগেই মনে করিয়ে দেয় — আর পুরনো স্টকটা নিজেই আগে বিক্রি করে দেয়।

স্টক শেষ, কাস্টমারও হাওয়া

বাঁধা কাস্টমার ওষুধ না পেয়ে পাশের দোকানে চলে যান। তাক খালি হওয়ার আগেই অ্যালার্ট বলে দেয় কী আনতে হবে।

কারেন্ট নাই, ইন্টারনেটও নাই…

লোডশেডিং মানেই ছিল হাতে বিল লেখা। এখন দোকান ৮+ ঘণ্টা অফলাইনেই বিল করে যায়, লাইন এলে সব নিজে থেকে মিলে যায়।

সেই ছেঁড়া বাকির খাতা

কে কত বাকি, লিমিটসহ পরিষ্কার হিসাব আর ভদ্র তাগাদা। কে কত দেবে ঠিক ঠিক জানবেন — আর আদায়ও হবে সত্যি সত্যি।

ডাক্তারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা

রোগী ফোন থেকেই সিরিয়াল নেন, পালার ঠিক আগে SMS পান। বেঞ্চ ফাঁকা থাকে, প্রেসক্রিপশন সোজা আপনার কাউন্টারে।

“আসলেই কি লাভ হচ্ছে?”

সন্ধ্যায় ফোন খুলেই দেখুন আজকের বিক্রি, খরচ আর লাভ — প্রতিদিন, কোনো অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছাড়াই।

“দাঁড়ান, আরেক দোকানে ফোন করে দেখি…”

ফোন করে স্টক খোঁজার দিন শেষ। প্রতিটা শাখার স্টক এক স্ক্রিনে, লাইভ — আপনার আর স্টাফ, দুজনেরই সামনে।

ডিসকাউন্টে চুপিচুপি লাভ গলে যাওয়া

আপনার বেঁধে দেওয়া লিমিটের বেশি ছাড় দিতে লাগবে ম্যানেজারের অনুমতি — কে দিল, কেন দিল, সব রেকর্ডে।

ফ্রিজের ওষুধ নীরবে নষ্ট

ইনসুলিন-ভ্যাকসিন আলাদা করে নজরে থাকে; রাখার তাপমাত্রায় গোলমাল হলেই অ্যালার্ট — নষ্ট হওয়ার আগে, পরে নয়।

নিশ্চিন্ত মালিক

দোকান রেখে বেরোন নিশ্চিন্তে — দোকান নিজেই সামলে নেবে

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফার্মেসি মালিক বছরের পর বছর ঠিকমতো একটা ছুটিও পান না। সব যখন কাগজে আর মুখস্থে চলে, দোকান ঠিকঠাক চলে কেবল আপনি সামনে দাঁড়ালেই। PharmaZ247 এই জায়গাটাই বদলে দেয় — ভরসা তখন আর অনুমান থাকে না, চোখের সামনে দেখা যায়।

  • যেখানেই থাকুন, লাইভ দেখুন — প্রতিটা বিক্রি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার ফোনে, দোকান ধরে ধরে।
  • প্রতিটা কাজের সঙ্গে একটা নাম — বিক্রি, ডিসকাউন্ট, রিটার্ন, স্টক অ্যাডজাস্টমেন্ট — সব যার যার লগইনে, চিরস্থায়ীভাবে রেকর্ড।
  • ক্যাশ প্রতিদিন নিজেই মিলিয়ে দেয় — নগদ, bKash আর Nagad প্রতি সন্ধ্যায় মিলে যায়। গরমিল হলে সেই রাতেই জানবেন, মাস শেষে নয়।
  • বড় সিদ্ধান্ত এখনো আপনার হাতেই — লিমিটের বেশি ডিসকাউন্ট বা বাকি আপনার অনুমতির অপেক্ষায় থাকে, আপনার ফোনেই।
শুক্রবারটা কাটল পরিবারের সঙ্গে। দোকান চলল নিজের মতো — আর প্রতিটা টাকার হিসাব ছিল ফোনে।
অ্যাপটা দেখে নিন

PharmaZ247 — ওয়েব, ট্যাবলেট আর মোবাইলে

এক সিস্টেম, সব স্ক্রিনে — কাউন্টারে, তাকের পাশে আর আপনার পকেটে।

PharmaZ247 owner dashboard on desktop
ওয়েব — মালিকের ড্যাশবোর্ড: আজকের বিক্রি, স্টক আর লাভ
Sales and billing on a tablet
ট্যাবলেট — কাউন্টারে বিলিং
PharmaZ247 mobile app
মোবাইল — কাস্টমার ও রোগীর অ্যাপ
কী কী করে

ফার্মেসির যা যা লাগে, সব এক জায়গায়

যেকোনো কার্ডে চাপ দিন — সহজ ভাষায়, ছবিসহ দেখুন কীভাবে কাজ করে।

বিলিং (POS)

স্ক্যান করুন, bKash বা ক্যাশ নিন, রসিদ প্রিন্ট — ৪৫ সেকেন্ডে শেষ। কারেন্ট বা ইন্টারনেট গেলেও বিক্রি চলে।

অফলাইনেও চলে

স্টক ও মেয়াদ

মেয়াদ শেষের ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগে অ্যালার্ট দেয়, পুরনো স্টক আগে বিক্রি করে, আর তাক খালি হওয়ার আগেই বলে দেয় কী আনতে হবে।

মেয়াদের অ্যালার্ট

সাপ্লায়ার থেকে কেনা

অর্ডার, মাল বুঝে নেওয়া আর পেমেন্ট — সব নিজে থেকে মিলিয়ে দেখে। যে মাল আসেনি, তার দাম আর দিতে হবে না।

লোকসান বন্ধ

নিরাপদ বিক্রি

যেসব ওষুধ একসঙ্গে খেলে ঝুঁকি, তা ধরিয়ে দেয়; প্রেসক্রিপশন ছাড়া প্রেসক্রিপশনের ওষুধ আটকায়; নিয়ন্ত্রিত ওষুধের খাতাও নিজেই রাখে।

কাস্টমারের সুরক্ষা

টাকা-পয়সা ও লাভ

প্রতিদিন সন্ধ্যায় ফোনেই আজকের বিক্রি, খরচ আর লাভ — অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছাড়াই, মাস শেষের অপেক্ষা ছাড়াই।

অ্যাকাউন্ট্যান্ট লাগবে না

ডাক্তারের সিরিয়াল ও কিউ

রোগী ফোন থেকে সিরিয়াল নেন, পালার ঠিক আগে SMS পান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভিড়ে বসে থাকা শেষ।

আর অপেক্ষা নয়

অনলাইন দোকান

কাস্টমার বাসা থেকে অর্ডার করেন, প্রেসক্রিপশন পাঠান, bKash-এ দাম দেন — চলে আপনার কাউন্টারের স্টক থেকেই।

২৪ ঘণ্টা খোলা

রোগীর পোর্টাল ও অ্যাপ

প্রতিটা কাস্টমারের নিজের অ্যাকাউন্ট — ওষুধের হিস্ট্রি, সেভ করা প্রেসক্রিপশন, এক ট্যাপে রিফিল আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট। লগইন শুধু ফোন নম্বরে।

কাস্টমার বারবার ফিরবে

MR ফিল্ড অ্যাপ

মাঠের টিমের ভিজিট, অর্ডার আর আদায় — আসছে পরের ধাপে।

শিগগিরই

লাইসেন্স ও ইন্সপেকশন

লাইসেন্সের মেয়াদে অ্যালার্ম, খাতা নিজে থেকেই লেখা, আর এক ক্লিকে ইন্সপেকশন প্যাক রেডি।

সবসময় রেডি
পর্দার আড়ালে

দরকারি অথচ ঝামেলার কাজগুলো, নীরবে সামলানো

এগুলো নিয়ে আপনাকে কখনো মাথা ঘামাতে হবে না — আর সেটাই তো আসল ব্যাপার।

সাত রকমের স্টাফ রোল

ক্যাশিয়ার, ফার্মাসিস্ট, ম্যানেজার, অ্যাকাউন্ট্যান্ট — যার যেটা কাজ, সে শুধু সেটাই দেখে, নিজের লগইনে।

বাংলা SMS ইঞ্জিন

OTP, রিমাইন্ডার আর কনফার্মেশন — পরিষ্কার বাংলায়, বাংলাদেশের যেকোনো ফোনে পড়া যায়।

অটো ব্যাকআপ

আপনার সব ডেটার ব্যাকআপ প্রতিদিন নিজে থেকেই হয়। কারও মনে রাখা লাগে না, একটা হার্ডডিস্ক নষ্ট হলেই সব শেষ — এই ভয়ও নেই।

কেউ বদলাতে পারবে না

প্রতিটা কাজ সিস্টেমের ভেতরে পাকাপাকিভাবে লেখা থাকে — আমরাও চুপিচুপি আপনার হিসাব বদলাতে পারি না।

এক বারকোড, সব জায়গায়

একবার স্ক্যান করলেই পণ্যটা বিলিং, মাল বুঝে নেওয়া আর স্টক — সব জায়গায় চেনা। বারবার টাইপ নেই, গরমিলও নেই।

শাখা নিজে থেকেই মিলে যায়

অনলাইনে এলেই প্রতিটা দোকান হেড অফিসের সঙ্গে আপনাআপনি মিলে যায়। দিন শেষে আলাদা ঝামেলা নেই, পেনড্রাইভও লাগে না।

অফলাইনেও চলে

পারফেক্ট ইন্টারনেটের ভরসায় নয় — বানানো আসল বাংলাদেশের জন্য

লোডশেডিং আর স্লো ইন্টারনেট তো আমাদের রোজকার ব্যাপার। তাই PharmaZ247 থাকে আপনার দোকানের ভেতরেই, ইন্টারনেটে নয় — লাইনের যা-ই হোক, কাউন্টার থামে না।

  • ৮+ ঘণ্টা পুরো অফলাইন — বিলিং, স্টক আর হিসাব চলে ইন্টারনেট ছাড়াই।
  • সব নিজে থেকে মিলে যায় — লাইন ফিরলেই সব দোকানের হিসাব আপনাআপনি আপডেট।
  • সব শাখা, এক ফোনে — যেখানেই থাকুন, প্রতিটা দোকানের লাইভ বিক্রি, স্টক আর লাভ।
  • ডেটা নিরাপদ — প্রতিটা স্টাফের কাজ তার নিজের নামে, পাকাপাকি রেকর্ড।
সন্ধ্যা ৭টায় কারেন্ট গেল। তবু দোকান ৩৪ জন কাস্টমারের বিল করে ফেলল।
নিশ্চিন্তে ঘুমান

ইন্সপেক্টর এলেও চিন্তা নেই — সব সবসময় রেডি

ব্যবসা চলতে চলতেই খাতা আর লাইসেন্স নিজেরাই নিজেদের সামলে নেয়।

🏛️

DGDA-র খাতা, রেডি

নিয়ন্ত্রিত ওষুধের খাতা প্রতিটা বিক্রির সঙ্গে নিজেই লেখা হয় — এক ক্লিকে ইন্সপেকশন প্যাক রেডি।

লাইসেন্সের অ্যালার্ম

আপনার আর সাপ্লায়ারের লাইসেন্সে নজর — মেয়াদের ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগে মনে করিয়ে দেয়।

🖋️

যে হিসাবে হাত দেওয়া যায় না

প্রতিটা কাজ পাকাপাকি রেকর্ডে — কেউ চুপিচুপি খাতা বদলাতে পারে না। এটা আপনারই সুরক্ষা।

হিসাবটা কষেই দেখুন

পুরনো নিয়ম আপনার বছরে কত টাকা খাচ্ছে?

দুটো সংখ্যা, দশ সেকেন্ড — দেখুন মেয়াদের ক্ষতি আর অনাদায়ী বাকি চুপচাপ কত টাকা নিয়ে যাচ্ছে।

হিসাবটা ইন্ডাস্ট্রি গড়ের ভিত্তিতে: মেয়াদে ক্ষতি সাধারণত স্টকের দামের ~১০% থেকে নেমে ২%-এর নিচে আসে, আর বাকি আদায় ~৮০% থেকে ৯৫%-এ ওঠে।

সোজাসাপ্টা তুলনা

খাতা-Excel-এর নিয়ম বনাম PharmaZ247

খাতাকে ছোট করছি না — অনেক দিন কাজ চালিয়েছে। কিন্তু দেখুন, কোন কাজগুলো সে পারে না।

রোজকার কাজখাতা / ExcelPharmaZ247
কোন ওষুধের মেয়াদ কাছেহাতে হাতে পাতা উল্টে দেখা, ভাগ্যের ভরসা৯০/৬০/৩০ দিন আগে অ্যালার্ট, পুরনোটা আগে বিক্রি
কাস্টমারকে বিল করা২–৪ মিনিট, দাম মুখস্থ৪৫ সেকেন্ড, স্ক্যান করেই শেষ
কারেন্ট বা ইন্টারনেট গেলেহাতে বিল, পরে ঝামেলা সামলানো৮+ ঘণ্টা অফলাইনেই বিক্রি চলে
কে কত বাকিছেঁড়া খাতা, ভুলে যাওয়া পাতালিমিট, ব্যালান্স আর রিমাইন্ডার; আদায় ৯৫%
আজকের লাভকেউ খাতা নিয়ে না বসা পর্যন্ত অজানাফোনেই লাইভ, প্রতি সন্ধ্যায়
একদিন দোকান ছেড়ে যাওয়াসব নির্ভর করে আপনি থাকার ওপরলাইভ দেখুন; প্রতিটা কাজ নামসহ রেকর্ড
DGDA ইন্সপেকশনদিনের পর দিন খাতা গোছানোপ্যাক প্রিন্ট করে চা খান
বদলানো সহজ

খাতা থেকে PharmaZ247 — মাত্র ৩ দিনে

দোকান একদিনও বন্ধ হয় না, স্টাফরাও দিশেহারা হন না — ভারী কাজটা আমরাই করি।

দিন ১ — আমরা যাই আপনার দোকানে

আমাদের টিম গিয়ে সব বসিয়ে দেয়, প্রিন্টার-স্ক্যানার লাগিয়ে দেয়। আপনার বিক্রি চলে আগের মতোই।

দিন ২ — আপনার ওষুধ ওঠে সিস্টেমে

ওষুধ, দাম আর সাপ্লায়ারের তালিকা তুলে দিই; তাকের ব্যাচ আর মেয়াদও রেকর্ড হয়ে যায়।

দিন ৩ — স্টাফরা হাতে-কলমে শেখেন

আপনার নিজের কাউন্টারেই ট্রেনিং, সবাই সড়গড় না হওয়া পর্যন্ত। bKash চালাতে পারলে এটাও পারবেন।

তারপর — একটু দম নিন

দোকান চলে PharmaZ247-এ, আপনি দেখেন ফোন থেকে। দরকার হলে আমরা তো আছিই।

সবার পকেটে

কাস্টমারের জন্য অ্যাপ — আপনার জন্যও

বাংলায় বানানো অ্যাপ, যা কাস্টমারকে বারবার আপনার ফার্মেসিতেই ফিরিয়ে আনে।

📱

কাস্টমার ও রোগীর অ্যাপ

ওষুধ অর্ডার, প্রেসক্রিপশনের ছবি আপলোড, ডাক্তারের সিরিয়াল বুকিং, SMS-এ রিফিল রিমাইন্ডার — দাম দিন bKash, Nagad বা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে।

👨‍💼

মালিকের ড্যাশবোর্ড

আজকের বিক্রি, স্টকের অ্যালার্ট, মেয়াদের হুঁশিয়ারি আর লাভ — আপনার ফোনে লাইভ, এক দোকানের হোক বা সবগুলোর, যেখান থেকেই হোক।

প্রথম সারির ফার্মেসিদের গল্প

শুরুর ফার্মেসিরা কী বলছেন

এই জুলাইয়ে PharmaZ247 চালু হচ্ছে তার প্রথম সারির ফার্মেসিদের নিয়ে — তাঁদের আসল গল্প এখানেই আসবে।

প্রথম মাসেই শুধু মেয়াদের রিপোর্ট দিয়েই সফটওয়্যারের খরচ উঠে গেছে।

প্রথম সারির ফার্মেসিঢাকা — গল্প আসছে

ঈদে গ্রামের বাড়ি থেকেই দোকান দেখেছি। আমাকে ছাড়াই সব চলেছে।

প্রথম সারির ফার্মেসিচট্টগ্রাম — গল্প আসছে

কাস্টমাররা এখন বাসা থেকেই ডাক্তারের সিরিয়াল নেন। অপেক্ষার বেঞ্চ ফাঁকা।

প্রথম সারির ফার্মেসিসিলেট — গল্প আসছে
সবাই যা জিজ্ঞেস করেন

ফার্মেসি মালিকদের মনের প্রশ্ন, সোজা উত্তর

কোনো টেকনিক্যাল প্যাঁচাল নেই।

PharmaZ247 জিনিসটা কী?
এক কথায় — একটা সিস্টেম যা আপনার পুরো ফার্মেসি চালায়: বিলিং, স্টক, মেয়াদ, সাপ্লায়ার অর্ডার, টাকা-পয়সা, ডাক্তারের সিরিয়াল আর অনলাইন দোকান — সব আপনার ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার থেকে। বাংলাদেশে তৈরি, বাংলাদেশের ফার্মেসির জন্যই।
কম্পিউটার তো ভালো পারি না, আমি পারব?
পারবেন, নিশ্চিন্তে। bKash চালাতে পারলে PharmaZ247-ও পারবেন। সব চলে বাংলা আর ইংরেজিতে, আর আমাদের টিম সব বসিয়ে দিয়ে স্টাফদের শিখিয়ে দেয় — বেশিরভাগ ক্যাশিয়ার এক দিনেই শিখে যান।
ইন্টারনেট বা কারেন্ট চলে গেলে চলবে তো?
হ্যাঁ — এটাই তো PharmaZ247-এর সবচেয়ে বড় জোর। সিস্টেমটা চলে আপনার দোকানের ভেতরেই, তাই ইন্টারনেট একদম না থাকলেও ৮+ ঘণ্টা বিলিং আর স্টক চলে। লাইন ফিরলেই সব নিজে থেকে মিলে যায়।
কী কী পেমেন্ট নেওয়া যায়?
bKash, Nagad আর নগদ টাকা — অনলাইন অর্ডারে ক্যাশ অন ডেলিভারিও। প্রতিটা টাকা রেকর্ড হয়, তাই রাতে ক্যাশ সবসময় মেলে।
বাসা থেকে কি দোকানে নজর রাখা যাবে?
অবশ্যই। ফোন খুললেই লাইভ বিক্রি, স্টক আর আজকের লাভ — এক দোকানের হোক বা সব শাখার, এক স্ক্রিনেই।
আমি তো দোকান ছেড়ে কোথাও যেতেই পারি না — এটা কি সত্যিই বদলাবে?
অনেক মালিকের কাছে এটাই PharmaZ247 নেওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। প্রতিটা বিক্রি, ডিসকাউন্ট আর রিটার্ন সঙ্গে সঙ্গে নামসহ লগইনে রেকর্ড হয়, ক্যাশ প্রতি সন্ধ্যায় নিজেই মেলে, আর ফোনেই দোকান দেখা যায় লাইভ। আপনি থাকুন বা না থাকুন, দোকান চলে একই নিয়মে — অনেকে বলেন, প্রথম যে কাজটা করেছেন তা হলো অবশেষে একটা শুক্রবার ছুটি নেওয়া।
দাম কত পড়বে?
প্রতিটা ফার্মেসি আলাদা — সীতাকুণ্ডের এক কাউন্টারের দোকান আর ঢাকার পাঁচ শাখার চেইনের দরকার তো এক নয় — তাই আমরা বাঁধা কোনো প্যাকেজ বিক্রি করি না। আপনার দোকান দেখে আপনার মাপের দাম ঠিক হয়, আর প্রথম সারির ফার্মেসিরা পান ফ্রি সেটআপ, ট্রেনিং আর প্রতিষ্ঠাতার বিশেষ দাম। একটা মেসেজ করুন — ছোট্ট একটা আলাপেই আপনার হিসাবটা পেয়ে যাবেন।
বাকির কাস্টমারদের কী হবে?
প্রত্যেক বাকির কাস্টমারের একটা লিমিট আর চলতি ব্যালান্স থাকে। লিমিটের বেশি বিক্রি আপনার অনুমতির অপেক্ষায় থাকে, আর রিমাইন্ডারে আদায় হয় সময়মতো — ছেঁড়া খাতার দিন শেষ।
ডাক্তারের সিরিয়ালে কাস্টমারের কী লাভ?
রোগী ফোন থেকেই সিরিয়াল নেন, কিউ লাইভ দেখেন, আর পালার ঠিক আগে SMS পান — কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন না। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন নিজে থেকেই আপনার কাউন্টারে চলে আসে।
VAT আর মুসক রিটার্নের কী হবে?
PharmaZ247 আপনার বিক্রি-কেনা থেকে সরকারি মুসক-৬.৩ (বিক্রয়) আর মুসক-৯.১ (ক্রয়) রিটার্ন নিজেই বানায়, জমা দেওয়ার জন্য প্রিন্ট-রেডি। প্রতিদিনের লাভ-ক্ষতিও আগের মতোই অটোমেটিক।
কেমন চলে, দেখব কীভাবে?
info@pharmaz247.com-এ ইমেইল করুন বা ‘লাইভ দেখুন’-এ চাপ দিন। আপনার নিজের ফোনেই আমরা ফার্মেসির পুরো একটা দিন দেখাব — বিক্রি, মাল তোলা, লাভের হিসাব — ৩০ মিনিটেরও কম সময়ে।
প্রথম সারির ফার্মেসি হোন

যাঁরা আগে আসবেন, তাঁরাই সবচেয়ে বেশি পাবেন

PharmaZ247-এর মতো কিছু বাংলাদেশে আগে কখনো আসেনি — আর যে ফার্মেসিগুলো আগে এগিয়ে আসবে, তাদের আমরা কাস্টমার নয়, প্রতিষ্ঠাতার মর্যাদায় দেখব।

🛠️

ফ্রি সেটআপ ও ট্রেনিং

আমরা আপনার দোকানে যাব, ওষুধের তালিকা তুলে দেব, স্টাফরা সড়গড় না হওয়া পর্যন্ত শেখাব — প্রথম সারির ফার্মেসিদের জন্য একদম ফ্রি।

🤝

আপনার ফার্মেসির মাপে দাম

বাঁধা কোনো দামের তালিকা নেই, কারণ কোনো দুটো ফার্মেসি এক নয়। আপনার দোকান দেখে — আকার, শাখা, দরকার — আপনার মাপের দাম ঠিক করা হয়।

সরাসরি নির্মাতাদের সঙ্গে

প্রথম সারির ফার্মেসিরা পান অগ্রাধিকার সাপোর্ট, আর এরপর কী বানানো হবে তাতে সত্যিকারের মতামত। আপনার কথাই গড়ে তুলবে সেই সফটওয়্যার, যা একদিন বাংলাদেশের প্রতিটা ফার্মেসি চালাবে।

আপনার ফার্মেসি এতে কেমন চলবে, নিজেই দেখে নিন

আধা ঘণ্টা, আপনার নিজের ফোন বা ট্যাবলেটে। বিক্রি, মাল তোলা, লাভের হিসাব — একটা আসল দিন ঘুরে দেখাব, কোনো কঠিন কথা বা শর্ত ছাড়াই।

যোগাযোগ করুন

আপনার ফার্মেসি এবার অটোপাইলটে।

আপনার ফার্মেসি বা চেম্বারের কথা আমাদের বলুন — আমাদের টিম যোগাযোগ করে আপনার ডেমো আর অনবোর্ডিং সাজিয়ে দেবে, সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যেই।