বিক্রি করুন, স্টক দেখুন, লাভ বুঝে নিন — মোবাইল, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার থেকে। কারেন্ট চলে যাক বা ইন্টারনেট — PharmaZ247 চলতেই থাকে, কিচ্ছু আটকায় না।
কম্পিউটার জানার দরকার নেই · বাংলা ও ইংরেজি · bKash, Nagad ও ক্যাশ · অফলাইনেও চলে
টেকনিক্যাল প্যাঁচাল নয় — যেসব ঝামেলা চুপচাপ আপনার টাকা আর ঘুম, দুটোই কাড়ে।
জানতে জানতেই দেরি, লোকসানটা আপনার ঘাড়ে। PharmaZ247 ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগেই মনে করিয়ে দেয় — আর পুরনো স্টকটা নিজেই আগে বিক্রি করে দেয়।
বাঁধা কাস্টমার ওষুধ না পেয়ে পাশের দোকানে চলে যান। তাক খালি হওয়ার আগেই অ্যালার্ট বলে দেয় কী আনতে হবে।
লোডশেডিং মানেই ছিল হাতে বিল লেখা। এখন দোকান ৮+ ঘণ্টা অফলাইনেই বিল করে যায়, লাইন এলে সব নিজে থেকে মিলে যায়।
কে কত বাকি, লিমিটসহ পরিষ্কার হিসাব আর ভদ্র তাগাদা। কে কত দেবে ঠিক ঠিক জানবেন — আর আদায়ও হবে সত্যি সত্যি।
রোগী ফোন থেকেই সিরিয়াল নেন, পালার ঠিক আগে SMS পান। বেঞ্চ ফাঁকা থাকে, প্রেসক্রিপশন সোজা আপনার কাউন্টারে।
সন্ধ্যায় ফোন খুলেই দেখুন আজকের বিক্রি, খরচ আর লাভ — প্রতিদিন, কোনো অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছাড়াই।
ফোন করে স্টক খোঁজার দিন শেষ। প্রতিটা শাখার স্টক এক স্ক্রিনে, লাইভ — আপনার আর স্টাফ, দুজনেরই সামনে।
আপনার বেঁধে দেওয়া লিমিটের বেশি ছাড় দিতে লাগবে ম্যানেজারের অনুমতি — কে দিল, কেন দিল, সব রেকর্ডে।
ইনসুলিন-ভ্যাকসিন আলাদা করে নজরে থাকে; রাখার তাপমাত্রায় গোলমাল হলেই অ্যালার্ট — নষ্ট হওয়ার আগে, পরে নয়।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফার্মেসি মালিক বছরের পর বছর ঠিকমতো একটা ছুটিও পান না। সব যখন কাগজে আর মুখস্থে চলে, দোকান ঠিকঠাক চলে কেবল আপনি সামনে দাঁড়ালেই। PharmaZ247 এই জায়গাটাই বদলে দেয় — ভরসা তখন আর অনুমান থাকে না, চোখের সামনে দেখা যায়।

এক সিস্টেম, সব স্ক্রিনে — কাউন্টারে, তাকের পাশে আর আপনার পকেটে।



যেকোনো কার্ডে চাপ দিন — সহজ ভাষায়, ছবিসহ দেখুন কীভাবে কাজ করে।
স্ক্যান করুন, bKash বা ক্যাশ নিন, রসিদ প্রিন্ট — ৪৫ সেকেন্ডে শেষ। কারেন্ট বা ইন্টারনেট গেলেও বিক্রি চলে।
অফলাইনেও চলেমেয়াদ শেষের ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগে অ্যালার্ট দেয়, পুরনো স্টক আগে বিক্রি করে, আর তাক খালি হওয়ার আগেই বলে দেয় কী আনতে হবে।
মেয়াদের অ্যালার্টঅর্ডার, মাল বুঝে নেওয়া আর পেমেন্ট — সব নিজে থেকে মিলিয়ে দেখে। যে মাল আসেনি, তার দাম আর দিতে হবে না।
লোকসান বন্ধযেসব ওষুধ একসঙ্গে খেলে ঝুঁকি, তা ধরিয়ে দেয়; প্রেসক্রিপশন ছাড়া প্রেসক্রিপশনের ওষুধ আটকায়; নিয়ন্ত্রিত ওষুধের খাতাও নিজেই রাখে।
কাস্টমারের সুরক্ষাপ্রতিদিন সন্ধ্যায় ফোনেই আজকের বিক্রি, খরচ আর লাভ — অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছাড়াই, মাস শেষের অপেক্ষা ছাড়াই।
অ্যাকাউন্ট্যান্ট লাগবে নারোগী ফোন থেকে সিরিয়াল নেন, পালার ঠিক আগে SMS পান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভিড়ে বসে থাকা শেষ।
আর অপেক্ষা নয়কাস্টমার বাসা থেকে অর্ডার করেন, প্রেসক্রিপশন পাঠান, bKash-এ দাম দেন — চলে আপনার কাউন্টারের স্টক থেকেই।
২৪ ঘণ্টা খোলাপ্রতিটা কাস্টমারের নিজের অ্যাকাউন্ট — ওষুধের হিস্ট্রি, সেভ করা প্রেসক্রিপশন, এক ট্যাপে রিফিল আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট। লগইন শুধু ফোন নম্বরে।
কাস্টমার বারবার ফিরবেমাঠের টিমের ভিজিট, অর্ডার আর আদায় — আসছে পরের ধাপে।
শিগগিরইলাইসেন্সের মেয়াদে অ্যালার্ম, খাতা নিজে থেকেই লেখা, আর এক ক্লিকে ইন্সপেকশন প্যাক রেডি।
সবসময় রেডিএগুলো নিয়ে আপনাকে কখনো মাথা ঘামাতে হবে না — আর সেটাই তো আসল ব্যাপার।
ক্যাশিয়ার, ফার্মাসিস্ট, ম্যানেজার, অ্যাকাউন্ট্যান্ট — যার যেটা কাজ, সে শুধু সেটাই দেখে, নিজের লগইনে।
OTP, রিমাইন্ডার আর কনফার্মেশন — পরিষ্কার বাংলায়, বাংলাদেশের যেকোনো ফোনে পড়া যায়।
আপনার সব ডেটার ব্যাকআপ প্রতিদিন নিজে থেকেই হয়। কারও মনে রাখা লাগে না, একটা হার্ডডিস্ক নষ্ট হলেই সব শেষ — এই ভয়ও নেই।
প্রতিটা কাজ সিস্টেমের ভেতরে পাকাপাকিভাবে লেখা থাকে — আমরাও চুপিচুপি আপনার হিসাব বদলাতে পারি না।
একবার স্ক্যান করলেই পণ্যটা বিলিং, মাল বুঝে নেওয়া আর স্টক — সব জায়গায় চেনা। বারবার টাইপ নেই, গরমিলও নেই।
অনলাইনে এলেই প্রতিটা দোকান হেড অফিসের সঙ্গে আপনাআপনি মিলে যায়। দিন শেষে আলাদা ঝামেলা নেই, পেনড্রাইভও লাগে না।
লোডশেডিং আর স্লো ইন্টারনেট তো আমাদের রোজকার ব্যাপার। তাই PharmaZ247 থাকে আপনার দোকানের ভেতরেই, ইন্টারনেটে নয় — লাইনের যা-ই হোক, কাউন্টার থামে না।

ব্যবসা চলতে চলতেই খাতা আর লাইসেন্স নিজেরাই নিজেদের সামলে নেয়।
নিয়ন্ত্রিত ওষুধের খাতা প্রতিটা বিক্রির সঙ্গে নিজেই লেখা হয় — এক ক্লিকে ইন্সপেকশন প্যাক রেডি।
আপনার আর সাপ্লায়ারের লাইসেন্সে নজর — মেয়াদের ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগে মনে করিয়ে দেয়।
প্রতিটা কাজ পাকাপাকি রেকর্ডে — কেউ চুপিচুপি খাতা বদলাতে পারে না। এটা আপনারই সুরক্ষা।
দুটো সংখ্যা, দশ সেকেন্ড — দেখুন মেয়াদের ক্ষতি আর অনাদায়ী বাকি চুপচাপ কত টাকা নিয়ে যাচ্ছে।
হিসাবটা ইন্ডাস্ট্রি গড়ের ভিত্তিতে: মেয়াদে ক্ষতি সাধারণত স্টকের দামের ~১০% থেকে নেমে ২%-এর নিচে আসে, আর বাকি আদায় ~৮০% থেকে ৯৫%-এ ওঠে।
খাতাকে ছোট করছি না — অনেক দিন কাজ চালিয়েছে। কিন্তু দেখুন, কোন কাজগুলো সে পারে না।
| রোজকার কাজ | খাতা / Excel | PharmaZ247 |
|---|---|---|
| কোন ওষুধের মেয়াদ কাছে | হাতে হাতে পাতা উল্টে দেখা, ভাগ্যের ভরসা | ৯০/৬০/৩০ দিন আগে অ্যালার্ট, পুরনোটা আগে বিক্রি |
| কাস্টমারকে বিল করা | ২–৪ মিনিট, দাম মুখস্থ | ৪৫ সেকেন্ড, স্ক্যান করেই শেষ |
| কারেন্ট বা ইন্টারনেট গেলে | হাতে বিল, পরে ঝামেলা সামলানো | ৮+ ঘণ্টা অফলাইনেই বিক্রি চলে |
| কে কত বাকি | ছেঁড়া খাতা, ভুলে যাওয়া পাতা | লিমিট, ব্যালান্স আর রিমাইন্ডার; আদায় ৯৫% |
| আজকের লাভ | কেউ খাতা নিয়ে না বসা পর্যন্ত অজানা | ফোনেই লাইভ, প্রতি সন্ধ্যায় |
| একদিন দোকান ছেড়ে যাওয়া | সব নির্ভর করে আপনি থাকার ওপর | লাইভ দেখুন; প্রতিটা কাজ নামসহ রেকর্ড |
| DGDA ইন্সপেকশন | দিনের পর দিন খাতা গোছানো | প্যাক প্রিন্ট করে চা খান |
দোকান একদিনও বন্ধ হয় না, স্টাফরাও দিশেহারা হন না — ভারী কাজটা আমরাই করি।
আমাদের টিম গিয়ে সব বসিয়ে দেয়, প্রিন্টার-স্ক্যানার লাগিয়ে দেয়। আপনার বিক্রি চলে আগের মতোই।
ওষুধ, দাম আর সাপ্লায়ারের তালিকা তুলে দিই; তাকের ব্যাচ আর মেয়াদও রেকর্ড হয়ে যায়।
আপনার নিজের কাউন্টারেই ট্রেনিং, সবাই সড়গড় না হওয়া পর্যন্ত। bKash চালাতে পারলে এটাও পারবেন।
দোকান চলে PharmaZ247-এ, আপনি দেখেন ফোন থেকে। দরকার হলে আমরা তো আছিই।
বাংলায় বানানো অ্যাপ, যা কাস্টমারকে বারবার আপনার ফার্মেসিতেই ফিরিয়ে আনে।
ওষুধ অর্ডার, প্রেসক্রিপশনের ছবি আপলোড, ডাক্তারের সিরিয়াল বুকিং, SMS-এ রিফিল রিমাইন্ডার — দাম দিন bKash, Nagad বা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে।
আজকের বিক্রি, স্টকের অ্যালার্ট, মেয়াদের হুঁশিয়ারি আর লাভ — আপনার ফোনে লাইভ, এক দোকানের হোক বা সবগুলোর, যেখান থেকেই হোক।
এই জুলাইয়ে PharmaZ247 চালু হচ্ছে তার প্রথম সারির ফার্মেসিদের নিয়ে — তাঁদের আসল গল্প এখানেই আসবে।
প্রথম মাসেই শুধু মেয়াদের রিপোর্ট দিয়েই সফটওয়্যারের খরচ উঠে গেছে।
ঈদে গ্রামের বাড়ি থেকেই দোকান দেখেছি। আমাকে ছাড়াই সব চলেছে।
কাস্টমাররা এখন বাসা থেকেই ডাক্তারের সিরিয়াল নেন। অপেক্ষার বেঞ্চ ফাঁকা।
কোনো টেকনিক্যাল প্যাঁচাল নেই।
PharmaZ247-এর মতো কিছু বাংলাদেশে আগে কখনো আসেনি — আর যে ফার্মেসিগুলো আগে এগিয়ে আসবে, তাদের আমরা কাস্টমার নয়, প্রতিষ্ঠাতার মর্যাদায় দেখব।
আমরা আপনার দোকানে যাব, ওষুধের তালিকা তুলে দেব, স্টাফরা সড়গড় না হওয়া পর্যন্ত শেখাব — প্রথম সারির ফার্মেসিদের জন্য একদম ফ্রি।
বাঁধা কোনো দামের তালিকা নেই, কারণ কোনো দুটো ফার্মেসি এক নয়। আপনার দোকান দেখে — আকার, শাখা, দরকার — আপনার মাপের দাম ঠিক করা হয়।
প্রথম সারির ফার্মেসিরা পান অগ্রাধিকার সাপোর্ট, আর এরপর কী বানানো হবে তাতে সত্যিকারের মতামত। আপনার কথাই গড়ে তুলবে সেই সফটওয়্যার, যা একদিন বাংলাদেশের প্রতিটা ফার্মেসি চালাবে।
আধা ঘণ্টা, আপনার নিজের ফোন বা ট্যাবলেটে। বিক্রি, মাল তোলা, লাভের হিসাব — একটা আসল দিন ঘুরে দেখাব, কোনো কঠিন কথা বা শর্ত ছাড়াই।
আপনার ফার্মেসি বা চেম্বারের কথা আমাদের বলুন — আমাদের টিম যোগাযোগ করে আপনার ডেমো আর অনবোর্ডিং সাজিয়ে দেবে, সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যেই।