বাংলাদেশের ফার্মেসিতে স্টকের ১৫% পর্যন্ত নষ্ট হয় মেয়াদ পেরিয়ে। PharmaZ247 আপনার দোকানের প্রতিটা ওষুধ, ব্যাচ আর তারিখ চেনে — ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগে অ্যালার্ট দেয়, আর পুরনো স্টক সবসময় আগে বিক্রি করে।
কাউন্টারে, গোডাউনে বা বাসায় — যেখানেই থাকুন, একই সিস্টেম।

মেয়াদ ও স্টকের অ্যালার্ট ইনবক্সে
একটা ওষুধের খুঁটিনাটি — ব্যাচ ও তারিখসহ
স্টক অ্যাডজাস্টমেন্ট, নিয়ম মেনেকোনো কঠিন কথা নয় — রোজকার যেসব ঝামেলা এটি আপনার ঘাড় থেকে নামিয়ে দেয়।
কোনো ব্যাচের মেয়াদ শেষের ৯০, ৬০ আর ৩০ দিন আগেই জানবেন — ফেরত দেওয়ার, সরানোর বা আগে বিক্রির সময় হাতে থাকবে।
কাউন্টার সবসময় সবচেয়ে আগে মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যাচটাই বেছে নেয়। স্টিকার লাগবে না, কাউকে শেখাতেও হবে না।
চালু ওষুধ হঠাৎ শেষ — এই বিপদ আর নয়। ফুরানোর আগেই সিস্টেম বলে দেয় কী আনতে হবে।
ইনসুলিন, ভ্যাকসিনের মতো ওষুধ আলাদা করে চিহ্নিত থাকে — রাখার তাপমাত্রায় গোলমাল হলেই অ্যালার্ট।
এক দোকানে পড়ে আছে, আরেকটায় চাহিদা? পুরো হিসাবসহ পাঠান — চাওয়া, পাঠানো, বুঝে নেওয়া, মেলানো।
ফাঁকা সময়ে এক এক তাক করে গুনুন। স্টক মেলাতে দোকান বন্ধ করার দরকার নেই।
ফার্মেসি মালিকরা এটা নিয়ে আমাদের যা জিজ্ঞেস করেন।
সবকিছু একসঙ্গে কাজ করে — এক সিস্টেম, এক লগইন, পুরো ফার্মেসি এক নজরে।
পুরো সিস্টেমটা ঘুরে দেখুন আপনার নিজের ফোন বা ট্যাবলেটেই — ৩০ মিনিটেরও কম সময়ে। কোনো শর্ত নেই, কঠিন কথাও নেই।